আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল আমির হাতামির নির্দেশে এসব অত্যাধুনিক ড্রোন চারটি সামরিক শাখায় মোতায়েন করা হয়েছে।
ইরানি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের ভয়াবহ যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এসব ড্রোন তৈরি করা হয়েছে। গত বছরের সেই যুদ্ধে ইরানি স্থাপনায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার ধরণ বিশ্লেষণ করে দেশীয় প্রযুক্তিতে ড্রোনগুলো নকশা করা হয়েছে।
এই বহরে থাকা ড্রোনগুলোকে মূলত চারটি বিশেষ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে—ধ্বংসাত্মক, আক্রমণাত্মক, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহকারী এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের জন্য উপযোগী। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ড্রোনগুলো স্থল, আকাশ ও সমুদ্রের যেকোনো স্থির বা চলমান লক্ষ্যবস্তুতে পিন-পয়েন্ট নির্ভুলতায় আঘাত হানতে সক্ষম।
মেজর জেনারেল আমির হাতামি ড্রোনগুলো কার্যক্রমে আসার পর এক বিবৃতিতে বলেন, ভবিষ্যৎ শত্রুর যেকোনো কৌশলগত চাল মোকাবিলা করার জন্য ইরানের সেনাবাহিনী এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। এই বিশাল ড্রোন বহর অন্তর্ভুক্ত করার মূল লক্ষ্য হলো অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়া এবং ইরানের সীমানায় যেকোনো ধরণের বিদেশি আগ্রাসন হলে তার কঠোর ও বিধ্বংসী জবাব দেওয়া। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন থাড ও প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম মোতায়েনের পাল্টায় এই ড্রোনগুলোকে ইরানের রক্ষাকবচ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগের চুক্তিতে সই করার জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়া হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্ট অনুযায়ী, রণতরী ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’-এর নেতৃত্বে একটি বিশাল বহর বর্তমানে ইরানি জলসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইরান পাল্টা জবাবে জানিয়েছে যে, তারা যুদ্ধের জন্য উন্মুখ নয়, তবে আক্রান্ত হলে তারা পিছু হাটবে না।
Your Comment